4
যথাযোগ্য ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও আনন্দঘন পরিবেশে আজ সারাদেশে পালিত হচ্ছে মুসলিম সম্প্রদায়ের বৃহত্তম ধর্মীয় উৎসব পবিত্র ঈদুল ফিতর। এই মহিমান্বিত দিনটি এক মাসের উপবাস, উপাসনা, আত্মসংযম এবং আত্মশুদ্ধির পর আনন্দের বার্তা নিয়ে আসে।
ঈদকে ঘিরে দেশের শহর ও গ্রাম জুড়ে বিরাজ করছে উৎসবের আমেজ। নতুন পোশাকে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে আনন্দ ভাগাভাগি করছেন সবাই। সকাল থেকেই ঈদগাহ মাঠ ও মসজিদে শিশু থেকে বৃদ্ধ সব বয়সী মুসল্লির ভিড় লক্ষ্য করা গেছে।
রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে সকাল থেকে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে। কিছু কিছু এলাকায়, মণ্ডলী শুরু হয়েছিল সকাল 6:30 টায়। দুই রাকাত ওয়াজিব নামায আদায়ের পর মুসল্লিরা ইহকাল ও পরকালের শান্তি, জাতির সমৃদ্ধি এবং কল্যাণ কামনা করে দোয়া ও মোনাজাতে অংশ নেন।
চাঁদ দেখার বিষয়ে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার দেশের কোথাও শাওয়ালের চাঁদ দেখা না যাওয়ায় রমজান মাসের ৩০ দিন পূর্ণ হয়েছে। এরপর শুক্রবার (২০ মার্চ) সন্ধ্যায় কক্সবাজারে শাওয়াল মাসের চাঁদ দেখার বিষয়টি নিশ্চিত করে ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়। সে অনুযায়ী আজ শনিবার দেশব্যাপী ঈদ উদযাপিত হচ্ছে।
ঈদ উপলক্ষে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি) আয়োজিত রাজধানী ঢাকার জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে ঈদের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হবে সকাল সাড়ে ৮টায়। আবহাওয়া প্রতিকূল থাকলে জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমে বিকল্পভাবে সকাল ৯টায় প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হবে।
ঈদের প্রধান জামাতের ইমামতি করবেন বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের খতিব মুফতি মুহাম্মদ আবদুল মালেক। ইসলামিক ফাউন্ডেশনের একজন মুফাসসির (ভাষ্যকার) ডাঃ মাওলানা মোঃ আবু সালেহ পাটোয়ারী বিকল্প ইমাম হিসেবে প্রস্তুত।
রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীসহ দেশের বিশিষ্ট ব্যক্তিরা ঈদের প্রধান জামাতে অংশ নেবেন বলেও জানা গেছে।
ঈদ উপলক্ষে প্রিয়জনদের সঙ্গে আনন্দ ভাগাভাগি করতে ইতিমধ্যেই ঢাকাসহ অন্যান্য বড় শহর ছেড়ে পৈতৃক বাড়ি ছেড়েছেন অনেকে। সব মিলিয়ে ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও উৎসবমুখর পরিবেশে পালিত হচ্ছে পবিত্র ঈদুল ফিতর।