1
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন এবং ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠেয় গণভোটকে সামনে রেখে নির্বাচন কমিশন (ইসি) ভোটকেন্দ্রে মোবাইল ফোন ব্যবহারের ওপর সুনির্দিষ্ট বিধিনিষেধ আরোপ করেছে। প্রিজাইডিং অফিসার ও আইন প্রয়োগকারী সংস্থার নির্দিষ্ট সদস্যসহ পাঁচ শ্রেণীর ব্যক্তিদের মোবাইল ফোন ব্যবহার করার অনুমতি থাকলেও সহকারী প্রিজাইডিং অফিসার ও পোলিং অফিসারদের তা করা থেকে নিষেধ করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব মোঃ শহিদুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এ নির্দেশনা জারি করা হয়।
ইসির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ভোটকেন্দ্রে দায়িত্বরত অবস্থায় মাত্র পাঁচ ধরনের ব্যক্তি মোবাইল ফোন বহন বা ব্যবহার করতে পারবেন। এগুলো হলো: প্রিসাইডিং অফিসার বা সংশ্লিষ্ট ভোটকেন্দ্রের দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তা; কেন্দ্রের নিরাপত্তার জন্য দায়ী প্রধান পুলিশ অফিসার; 'নির্বাচন সুরক্ষা 2026' অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহার করে দুই নির্দিষ্ট আনসার সদস্য; নির্বাচনী সংবাদ এবং পর্যবেক্ষক সংগ্রহে নিয়োজিত স্থানীয় ও বিদেশী সাংবাদিকরা (পলিসি 2025 অনুসরণ সাপেক্ষে); এবং প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী, তাদের নির্বাচনী এজেন্ট এবং সাধারণ ভোটাররা।
ভোট কেন্দ্রে কর্মরত সহকারী প্রিসাইডিং অফিসার, পোলিং অফিসার এবং পোলিং এজেন্টদের কোন অবস্থাতেই মোবাইল ফোন নিয়ে যেতে দেওয়া হবে না। উপরন্তু, আইন প্রয়োগকারী সংস্থার অন্যান্য সদস্যরা (পুলিশ ইনচার্জ এবং নির্দিষ্ট আনসার সদস্য ব্যতীত)ও এই নিষেধাজ্ঞার অধীন থাকবে।
নির্বাচন কমিশন বলেছে যে ভোটের গোপনীয়তা রক্ষার স্বার্থে, কোনও ব্যক্তি – সে ভোটার বা কর্মকর্তাই হোক না কেন গোপন বগিতে (মার্কিং প্লেস) মোবাইল ফোন ব্যবহার করতে দেওয়া হবে না। ভোট প্রক্রিয়ার পবিত্রতা ও গোপনীয়তা নিশ্চিত করতে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সংশ্লিষ্ট সকলকে এই নির্দেশনাগুলো কঠোরভাবে মেনে চলার জন্য অনুরোধ করা যাচ্ছে।
এই নির্দেশনার অনুলিপি ইতিমধ্যেই মন্ত্রিপরিষদ সচিব, মুখ্য উপদেষ্টার মুখ্য সচিব, জননিরাপত্তা বিভাগ এবং পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) সহ সংশ্লিষ্ট সকল বিভাগে পাঠানো হয়েছে। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের নির্দেশ দিয়েছে কমিশন।