1
সারাদেশে কনকনে শীত ও শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। বিশেষ করে উত্তর ও পশ্চিমাঞ্চলের জেলাগুলোতে শীতের জোরে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে।
আবহাওয়া অধিদফতরের সর্বশেষ পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, দেশের ৯টি জেলার ওপর দিয়ে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে এবং ঘন কুয়াশার কারণে আগামী কয়েকদিনে শীতের অনুভূতি আরও প্রকট হতে পারে।
শনিবার (৩ জানুয়ারি) সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী ১২০ ঘণ্টার পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, রাজশাহী, পাবনা, নওগাঁ, সিরাজগঞ্জ, নীলফামারী, কুড়িগ্রাম, যশোর, চুয়াডাঙ্গা ও কুষ্টিয়া জেলার ওপর দিয়ে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। এই অবস্থা আপাতত অব্যাহত থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। ফলে এসব এলাকায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে নেমে গেছে।
মধ্যরাত থেকে সকাল পর্যন্ত সারাদেশে মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশার পূর্বাভাস রয়েছে। কোথাও কোথাও এই কুয়াশা দুপুর পর্যন্ত থাকতে পারে। আবহাওয়া অফিস সতর্ক করেছে যে ঘন কুয়াশার কারণে বিমান চলাচল সাময়িকভাবে ব্যাহত হতে পারে। অভ্যন্তরীণ নৌপথও ব্যাহত হতে পারে। এ ছাড়া দৃশ্যমানতা কমে যাওয়ার কারণে সড়ক যোগাযোগ ধীর ও বিপজ্জনক হতে পারে।
আগামী ১২০ ঘণ্টার আকাশ অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা থাকবে, তবে সারাদেশের আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকবে।
আগামী দুই দিন তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকবে, তবে ৫ জানুয়ারি থেকে দিনের তাপমাত্রা কিছুটা কমতে পারে। তবে ৬ জানুয়ারি থেকে রাতের তাপমাত্রা কিছুটা কমতে পারে।
কুয়াশাচ্ছন্ন আবহাওয়ায় সরাসরি সূর্যালোক কম থাকায় দিন ও রাতের তাপমাত্রার পার্থক্য কমবে, যা সারাদেশে শীতের তীব্রতা বাড়াবে।
রাজধানী ঢাকায় বাতাসের গতিবেগ পশ্চিম বা উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৮-১২ কিলোমিটার থাকবে। আজ সন্ধ্যায় ঢাকায় বাতাসের আর্দ্রতা ছিল ৮৬ শতাংশ। আগামীকাল সূর্যোদয় 6:42 AM এবং সূর্যাস্ত 5:25 PM এ।
আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, আগামী পাঁচ দিনের মধ্যে তাপমাত্রা কিছুটা বাড়তে পারে। তবে ততক্ষণ পর্যন্ত ঘন কুয়াশা ও ঠাণ্ডা বাতাসের সঙ্গে শীত চলবে। নদী অববাহিকা এলাকায় কুয়াশার প্রকোপ তুলনামূলকভাবে বেশি থাকবে বলে জানা গেছে।