2
দেশের বাজারে ইতিহাসের সব রেকর্ড ভেঙে দিয়েছে সোনা। এবার বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস) ২২ ক্যারেট সোনার বারের দাম ২ হাজার ৬২৪ টাকা বাড়িয়ে ২ লাখ ৩৪ হাজার ৬৮০ টাকা নির্ধারণ করেছে।
বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) থেকে এই নতুন দামে সোনা বিক্রি হচ্ছে। দেশের ইতিহাসে এটাই সোনার সর্বোচ্চ দাম।
এর আগে বুধবার (১৪ জানুয়ারি) রাতে এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে সোনার নতুন দাম ঘোষণা করে বাজুস।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, স্থানীয় বাজারে এসিড গোল্ডের (খাঁটি সোনা) দাম বেড়েছে। ফলে সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় সোনার নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে।
নতুন দাম অনুযায়ী, দেশের বাজারে প্রতি ভরি (১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেট সোনার দাম ২ লাখ ৩৪ হাজার ৬৮০ টাকা। এছাড়া ২১ ক্যারেট ভর্তি সোনা ২ লাখ ২৪ হাজার ৭ টাকা, ১৮ ক্যারেট ভরি সোনা ১ লাখ ৯১ হাজার ৯৮৯ টাকা এবং সনাতন স্বর্ণ বিক্রি হয় ১ লাখ ৫৭ হাজার ২৩১ টাকায়।
বাজুস প্রজ্ঞাপনে আরও বলেছে যে স্বর্ণের বিক্রয় মূল্য বাধ্যতামূলকভাবে সরকার-নির্দেশিত 5 শতাংশ ভ্যাট এবং বাজুস-নির্ধারিত ন্যূনতম মজুরি 6 শতাংশ বাধ্যতামূলকভাবে সাপেক্ষে। তবে গহনার ডিজাইন ও মানের উপর নির্ভর করে মজুরি ভিন্ন হতে পারে।
এর আগে চলতি বছরের ১২ জানুয়ারি অভ্যন্তরীণ বাজারে সোনার দাম সর্বশেষ সমন্বয় করে বাজুস। ওই দিন প্রতি 22 ক্যারেট সোনার দাম ৪ হাজার ১৯৯ টাকা বেড়ে ২ লাখ ৩২ হাজার ৫৫ টাকা করে দেয় সংস্থাটি।
এছাড়া প্রতি ২১ ক্যারেট ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ২১ হাজার ৪৯৯ টাকা, প্রতি ভরি ১৮ ক্যারেট স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৮৯ হাজার ৮৯০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ৫৬ হাজার ৮৮১ টাকা। গত ১৩ ও ১৪ জানুয়ারি দেশের বাজারে এই দামে সোনা বিক্রি হয়েছে।
সব মিলিয়ে চলতি বছরের প্রথম ১৫ দিনে ৭ম বারের মতো স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছে। এর মধ্যে দর বেড়েছে ৫ পয়েন্ট এবং কমানো হয়েছে ৫ পয়েন্ট। আর গত বছর 2025 সালে দেশের বাজারে সোনার দাম 93 বার সমন্বয় করা হয়েছিল, যেখানে দাম 64 বার বাড়ানো হয়েছিল এবং 29 বার কমেছিল।