4
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের নবনির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তারেক রহমানের দায়িত্ব গ্রহণের পর বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রপ্রধান এবং উচ্চ পর্যায়ের প্রতিনিধিরা তাকে উষ্ণ অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানিয়েছেন।
মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে তারা জাতীয় সংসদ ভবনে (জাতীয় সংসদ ভবন) নবনিযুক্ত প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে পৃথক সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। এই অত্যন্ত সৌহার্দ্যপূর্ণ ও আন্তরিক বৈঠকে বিদেশি প্রতিনিধিরা বাংলাদেশের নতুন নেতৃত্বকে তাদের নিজ নিজ সরকার ও জনগণের পক্ষ থেকে তাদের পূর্ণ সমর্থন ও সহযোগিতার আশ্বাস দেন।
বৈঠকে উপস্থিতদের মধ্যে ছিলেন ভুটানের প্রধানমন্ত্রী দাশো শেরিং তোবগে, যিনি ঐতিহাসিক শপথ অনুষ্ঠানে যোগদানের জন্য বিশেষ আমন্ত্রণে ঢাকা সফর করছেন। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন তুরস্কের উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী বারিস একিনচি, পাকিস্তানের পরিকল্পনা ও উন্নয়ন মন্ত্রী আহসান ইকবাল এবং নেপালের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বালা নন্দ শর্মা। শ্রীলঙ্কার প্রতিনিধিত্ব করেন দেশটির স্বাস্থ্য ও গণমাধ্যম মন্ত্রী ড. নালিন্দা জয়তিসা।
আলোচনাকালে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক ও আঞ্চলিক সহযোগিতার উন্নয়নের ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হয়। বিশেষ করে, দক্ষিণ এশীয় দেশগুলির মধ্যে বাণিজ্য, সংযোগ বৃদ্ধি এবং জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলায় একসঙ্গে কাজ করার বিষয়ে আলোচনা করা হয়েছে।
প্রতিনিধিরা উল্লেখ করেন যে, এই অঞ্চলের সার্বিক স্থিতিশীলতার জন্য বাংলাদেশের শান্তি ও অর্থনৈতিক অগ্রগতি অপরিহার্য।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানও সফররত গণ্যমান্য ব্যক্তিদের ধন্যবাদ জানান এবং বাংলাদেশের উন্নয়ন সহযোগী দেশগুলোর সঙ্গে সুসম্পর্ক আরও জোরদার করতে তার সরকারের দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
এর আগে বিকেলে সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন তারেক রহমান। শপথ অনুষ্ঠানে ভারত, চীন, জাপানসহ বিভিন্ন প্রভাবশালী দেশের কূটনীতিক ও প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং চীনের প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াং ইতিমধ্যেই তাদের অভিনন্দন বার্তা পাঠিয়েছেন।