3
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের পরামর্শে মহান মুক্তিযুদ্ধে সর্বোচ্চ আত্মত্যাগকারী সাত বীরশ্রেষ্ঠের নামে জাতীয় সংসদের (জাতীয় সংসদ) বিভিন্ন গ্যালারির নামকরণ করা হয়েছে। জাতির সর্বশ্রেষ্ঠ সন্তানদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা ও কৃতজ্ঞতা জানাতে এবং তাদের স্মৃতি চিরন্তন করে রাখতে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ফলে সংসদের গ্যালারিগুলো এখন বীরশ্রেষ্ঠদের নামে পরিচিত হবে।
এ সিদ্ধান্তের মধ্য দিয়ে স্বাধীনতার বীরত্বগাথা দেশের গণতন্ত্রের প্রাণবন্ত প্রাণ জাতীয় সংসদে স্থায়ীভাবে স্থান পেয়েছে। ফুল ও নদীর ওপর ভিত্তি করে নির্মিত গ্যালারির আগের নামগুলোকে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসের সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্ত করতে পরিবর্তন করা হয়েছে।
নতুন নামকরণের প্রথা অনুযায়ী, গ্যালারি-৩ বীরশ্রেষ্ঠ ল্যান্স নায়েক মুন্সী আবদুর রউফের নামে, গ্যালারি-৪ বীরশ্রেষ্ঠ ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমানের নামে, গ্যালারি-৫ বীরশ্রেষ্ঠ ইঞ্জিন রুম আর্টিফিসার মোহাম্মদ রুহুল আমীনের নামে, গ্যালারি-৬ বীরশ্রেষ্ঠ ল্যান্স নায়েক মুন্সী মোহাম্মদ শেখ মোহাম্মদ নূরুল ইসলামের নামে এবং বীরশ্রেষ্ঠ ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমানের নামে গ্যালারি-৫। কামাল।
এছাড়া ভিআইপি গ্যালারি-১-এর নামকরণ করা হয়েছে বীরশ্রেষ্ঠ ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীরের নামে এবং ভিআইপি গ্যালারি-২-এর নামকরণ করা হয়েছে বীরশ্রেষ্ঠ সিপাহী হামিদুর রহমানের নামে। গ্যালারি 1 এবং 2 সাংবাদিকদের জন্য সংরক্ষিত।
জাতীয় সংসদ গ্যালারির এই নামকরণ শুধু প্রাতিষ্ঠানিকভাবে মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি রক্ষা করে না, বীরত্ব ও ত্যাগের ইতিহাসকে আরও দৃশ্যমান করে তোলে।